
ব্যক্তিগত পরিচর্যা সামগ্রীর মধ্যে প্রায় চার কেজি তরল কোকেন লুকিয়ে রাখার অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে এক ব্রাজিলীয় নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। সোমবার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।
গত মঙ্গলবার ব্রাজিল থেকে বালিতে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর ৩৬ বছর বয়সী ওই নারীকে গ্রেফতার করেন পুলিশ ও শুল্ক কর্মকর্তারা।
ইন্দোনেশিয়ার ডেনপাসার থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
তার লাগেজে থাকা শ্যাম্পু ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার অন্যান্য সামগ্রীর সাতটি বোতল থেকে ৩ দশমিক ৬ কেজির বেশি তরল কোকেন উদ্ধার করা হয়। এর পরিমাণ ৭ দশমিক ৯ পাউন্ডেরও বেশি।
ইন্দোনেশিয়ার অনেক নাগরিকের মতো এক নামেই পরিচিত পুলিশের মুখপাত্র আরিয়াসান্দি এএফপিকে বলেন, ‘বালি অঞ্চলে অবৈধ মাদক পাচারের কোনো সুযোগ না রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
পুলিশ জানায়, বালিতে তরল কোকেনের সবচেয়ে বড় চালানগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
ওই নারী পুলিশকে জানান, এক ব্রাজিলীয় ব্যক্তি তাকে বালিতে অন্য একজনের কাছে মাদক পৌঁছে দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। এ কাজের জন্য তাকে ৫০ হাজার ডলার দেওয়ার কথা ছিল।
বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর মাদকবিরোধী আইনগুলোর কয়েকটি ইন্দোনেশিয়ায় কার্যকর রয়েছে। মাদক পাচারের জন্য দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের বিধানও আছে। তবে কয়েক বছর ধরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে দেশটি।
মাদক পাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার অপেক্ষায় দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা কয়েক ডজন।
দোষী সাব্যস্ত হলে ওই ব্রাজিলীয় নারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
ইন্দোনেশিয়া সর্বশেষ ২০১৬ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। সে সময় মাদকসংক্রান্ত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত এক ইন্দোনেশীয় ও তিন নাইজেরীয় নাগরিককে ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
গত জুলাইয়ে এক মালয়েশীয় পাইলটকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে স্যুটকেসে ৭০ হাজারের বেশি এক্সট্যাসি ট্যাবলেট পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া মেথামফেটামিন, এমডিএমএ ও কোকেনের প্রভাবে থাকা অবস্থায় বিমান চালিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম আর মাহফুজ । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ নাছির উদ্দিন। বার্তা সম্পাদকঃ ইঞ্জিঃ এম এ নাছের অর্পণ
দৈনিক ন্যায়ের ডাক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৫